জনাব/বেগম,
আসসালামু আলাইকুম।
বাড়িতে/বাসায় কিছু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় এবং কিছু আদেশ বাস্তবায়ন না করায় কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সিংহভাগ শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও লেখাপড়ার মানোন্নয়নে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই নিম্নে বর্ণিত নিষেধাজ্ঞা ও করণীয়সমূহ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য অভিভাবকগণের সহযোগিতা কামনা করছি:
১. আপনার সন্তান “স্ক্রিন অ্যাডিক্ট” হয়ে যাচ্ছে, ফলে লেখাপড়া না করে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইটে প্রবেশ করে থাকে এবং তাদের জন্য নিষিদ্ধ বিষয়াবলির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে ও অপ্রয়োজনীয় সম্পর্ক স্থাপন করছে এবং লেখাপড়া থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এতে সে শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তাই কোনক্রমেই আপনার সন্তানকে স্মার্টফোন / ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দিবেন না।
২. ফজরের আজানের সাথে সাথে আপনার সন্তানকে শয্যা ত্যাগ করতে বাধ্য করুন। ভোরে ১-২ ঘন্টা মন দিয়ে লেখাপড়া সারাদিন ১০-১২ ঘন্টা লেখাপড়ার সমান ভূমিকা রাখতে পারে। তাই, ফজরের আজানের সাথে সাথে আপনার সন্তানকে পড়ার টেবিলে বসান।
৩. মাগরিব আজানের সাথে সাথে আপনার সন্তান বাড়িতে ফিরছে কিনা তা কঠোরভাবে নজরদারি করুন। কোন অবস্থাতেই সন্ধ্যার পর আপনার সন্তানকে ঘরের বাইরে অবস্থান করতে দিবেন না।
৪. লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অনেক শিক্ষার্থী বাইরে প্রাইভেট বা কোচিং সেন্টারে লেখাপড়া করে থাকে। এতে শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ না দিয়ে শ্রেণিকার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। এতে শিক্ষার্থী প্রকৃত জ্ঞান অর্জনে ব্যর্থ হয়। আপনার সন্তান বাড়িতে অনুশীলন/চর্চা করবে, কোথাও বুঝতে অসুবিধা হলে প্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের কাছে বুঝে নিবে। তাই আপনার সন্তানকে কোনক্রমেই প্রাইভেট বা কোচিং এ যেতে দিবেন না। প্রয়োজনে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলে কর্মরত বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকগণের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন, যার ব্যয়ভার কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল বহন করবে।
৫. আপনার সন্তানের চুল (ছাত্র হলে) নিয়মিত কাটানোর ব্যবস্থা নিবেন। স্কুলের ছাত্রদের জন্য “জিরো (০) কাট” এবং কলেজের ছাত্রদের জন্য “এক্সিকিউটিভ কাট” চুল রাখা বাধ্যতামূলক। ছাত্রীরা কোনভাবেই মেকআপ বা প্রসাধনী এবং অলংকার ব্যবহার করতে পারবে না।